টেলিটক সংস্কারের ১০ প্রস্তাব গ্রাহক সংগঠনের
বিগত সরকারের আমলে নেয়া রাষ্ট্রীয় মোবাইল অপারটর টেলিটক-কে বেসরকারি খাতে বিক্রির ‘পাঁয়াতারা’ বন্ধ করে ফাইভ-জি প্রকল্পের ‘দুর্নীতি ও অনিয় ‘ এর দ্রুত তদন্ত দাবি করেছে গ্রাহকদের স্বার্থ ও সুরক্ষায় নিয়োজিত নাগরিক সংগঠন বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন। বৃহস্পতিবার এমন দাবি তুলে ধরে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে টেলিটক সংস্কার করার ১০ দফা প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার সংগঠনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত এই প্রস্তাবনায় যাত্রা শুরুর পর থেকে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি উল্লেখ করে এর পেছনের কারণগুলো তুলে ধরা হয়েছে। বলা হয়েছে, সীমিত ফোর-জি নেটওয়ার্ক, মাঠপর্যায়ে বিক্রি কার্যক্রমের উদাসীনতা, দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামো, স্বচ্ছতার অভাবসহ গত রাজনৈতিক সরকারের টেলিটক নিয়ে নেতিবাচক মনোভাবের কারণে মোবাইল অপারেটরটি দেশের মানুষের চাহিদা ঠিকমতো পূরণ করতে পারেনি।
গণ আকাঙ্ক্ষা পূরণে সংগঠনটি টেলিযোগাযোগ খাত-সংশ্লিষ্ট কারিগরি ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনায় দক্ষ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে টেলিটকের পরিচালনা বোর্ড সংস্কারের পাশাপাশি বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কর্মকর্তাদের টেলিটকে নিয়োগ দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান করা হয়েছে।
এছাড়াও প্রস্তাবনায় টেলিটকের নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ টেলিটক’ করা, টেলিটকের প্রশাসনিক কাঠামো সংস্কার, ত্রুটিপূর্ণ ব্যাটারি পরিবর্তন করে সার্বক্ষণিক টাওয়ার সচল রাখা, গ্রাহকদের স্বার্থ বিবেচনায় কম খরচে নির্দিষ্ট মেয়াদ ছাড়া ফোন কল ও ডেটা প্যাকেজ চালুসহ বিভিন্ন দাবি তুলে ধরা হয়েছে।







